Posts

CELEBRATING HAPPY NEW YEAR 2022 || HARICHAND THAKUR || KRITTIBAS GOSAI SEBASSROM

Image
  জয় হরিবোল। সকল হরিভক্তের শ্রীচরণে আমার সভক্তিমূলক প্রণাম জানাই। প্রিয় হরিভক্তগণ, শ্রী কৃত্তিবাস গোসাঁই সেবাশ্রমের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই ইংরেজি নতুন বর্ষের শুভেচ্ছা। হ্যাপি নিউ ইয়ার টুয়েন্টি টুয়েন্টিটু। শ্রী হরির কৃপায় আপনার আগামী দিনগুলো অনেক সুন্দর কাটুক। শ্রী শ্রী গুরুচাঁদের আদর্শে আপনার জীবন হোক ধন্য। শ্রী হরির নিকট প্রার্থনা করি, সর্বক্ষণ যেন শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের কৃপা আপনার উপর বর্ষিত থাকে। নতুন বছর আপনার জীবনে নিয়ে আনুক সোনালী উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। নতুন দিনের নতুন আলো, দূরে নিয়ে যাক নিকষ কালো। নতুন সূর্য নতুন প্রানে, বাজাও বাদ্য জীবন গানে। কাটুক আঁধার আলোর স্পর্শে, মেতে উঠুক মন নতুন বর্ষে। *** শুভ ইংরেজি নববর্ষ ***

Yugawatar Sri Sri Harichand | Harichand Thakur | A Life History of Harichand Thakur

Image
  Joy horibol. At frist take my prostration. Today In this video i will try to share a short life history about Purna Brhama Yugawatar Sri Sri Harichand Thakur. This videos all content took form Wikipedia. Purna Brahma sri sri harichand thakur is a real god for lower cast people. Once time, The lower cast people always tortured by higher cast people's in hindu society. When Purna Brhama sri sri Harichand Thakur appeared in this word. He always gives us more and more rights like education, society, political etc. He always said if lower cast people get education, they realized about there faults and be aware there rights. Now we lower cast's people can take education easily which we couldn't once time. Now lower cast's people has happened big officer, doctor, teacher, political leaders etc. by grace of Purna Brahma Yugawatar Sri Sri Harichand. Joy Horibol.

মতুয়া ধর্ম কি ? মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক কে ? Harichand Thakur || Motua Dhormo

Image
  জয় হরিবোল। সকল হরিভক্তের শ্রীচরণে আমার সভক্তিমূলক প্রণাম জানাই। আজ আমরা শ্রী কৃত্তিবাস গোঁসাই সেবাশ্রম ইউটিউব চ্যানেল ও ফেইসবুক পেইজের পক্ষ থেকে মতুয়া ধর্ম বিষয়ক কিছু ধারাবাহিক ভিডিওর আয়োজন করেছি। আজ তার প্রথম পর্ব । এই পর্বে রয়েছে মতুয়া ধর্ম কি ? , মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক কে ? এবং তার বংশ পরিচয় । মতুয়া ধর্ম কি ? বিশ্বে প্রবর্তিত যে সব স্বতন্ত্র ও পূর্ণাঙ্গ ধর্ম রয়েছে মতুয়া ধর্ম তার মধ্যে অন্যতম। মতুয়া ধর্মই আদর্শ গার্হস্থ ধর্ম। এ ধর্ম ব্রহ্মচর্য ভিত্তিক, যাতে বানপ্রস্থ ও সন্যাস ব্রত পালন সহজ সাধ্য। এতে ধর্ম ও কর্মের এক সুসমন্বয়ের বিধান রয়েছে সেহেতু ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ এই চতুর্বর্গের ফল ফলে। এই ধর্মে রয়েছে এক সুন্দর বিধান যা সমস্ত মানুষের জীবন সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে পরিচালনার মধ্যে দিয়ে মানব জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে। এর ফলে ঈশ্বরের নৈকট্যলাভ করা যায় অতি সহজে। মতুয়া ধর্ম সহজ ও সরল এবং অনাড়ম্বরপূর্ণ। তাই সহজে পালনীয় এবং সর্বজন গ্রাহ্য। মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক :- মতুয়া ধর্মের প্রবর্তক হলেন যুগাবতার পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর। তিনি বাংলা ১২১৮ সালের ২৯ শে ফাল্গুন ( ইংরেজ...

শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরই স্বয়ং শ্রী হরি ।

Image
  আজকের পর্বে রয়েছে হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাবের পটভূমি সম্পর্কে। স্রষ্টার সৃষ্টির সবকিছুই একটা সুশৃঙ্খল নিয়মাধীনে চলেছে। কোথাও বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে প্রাকৃতিক শক্তি সেখানে শৃঙ্খলা বা সাম্য প্রতিষ্ঠা করে। এই সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য মাঝে মাঝে এই ধরার বুকে অবতার রূপে ভগবানের আবির্ভাব হয়। আর এ কারণেই পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী হরিচাঁদের আবির্ভাব হয়েছিল । ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে পৃথিবীতে এক মহা দুর্দিনের ঝড় বয়ে গিয়েছিল । কি ধর্ম জীবন , কি রাষ্ট্র জীবন, কি সমাজ জীবন সর্বত্রই যেন এক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল । কিছু সংখ্যক স্বার্থন্বেষী মানুষ সাধারণ মানুষের সততা ও সরল ধর্ম বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ধর্মের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করে। ধর্ম হয় শোষণের হাতিয়ার। ধর্মের বিকৃতি ঘটিয়ে ধর্মকে সীমিত গন্ডীর মধ্যে আবদ্ধ রাখা হয়। ধর্মের আবরণে এক শ্রেণীর ভন্ডের দল অনাচার ও ব্যভিচারে লিপ্ত হয়। ধর্মে দেখা দেয় গ্লানি। মানুষ ধর্মহীন হয়ে এক প্রাণহীন সত্ত্বায় পরিণত হয়। যার ফলে পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট হয়। প্রয়োজন দেখা দেয় ভগবানের আবির্ভাবের। ত্রেয়দশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত সমাজের উপর ব্রাহ্মণ্...

শ্রীকৃষ্ণ,শ্রী চৈতন্য ও শ্রী হরিচাঁদ এক অভিন্ন অভেদ একাত্ম |

Image
শ্রী চৈতন্যও শ্রী হরিচাঁদ এক এবং অভিন্ন মতুয়াদের বিশ্বাস | আবার শ্রী চৈতন্য ও শ্রীকৃষ্ণ অভেদ একাত্ম | এ হল ভারতীয় নাম ও প্রেম ভক্তিমার্গের পরম্পরা | মতুয়া সাধক বলছেন এ ভবরূপ অকূল সমুদ্রে হরিচাঁদ আমার একমাত্র আশ্রয়স্থল | আমি তার স্বরণ নিলাম | আমাকে আশ্রয় দাও দয়াময় | See it in youtube:-  https://youtu.be/Vh9UwEGmF20 Subscribe:- https://www.youtube.com/channel/UC7xyThOvxw7GgdwGhNuwQRA

শ্রীমৎ কৃত্তিবাস গোঁসাইর বাল্য জীবন

Image
** শ্রীমৎ কৃত্তিবাস গোঁসাইর বাল্য জীবন ** রচনায়ঃ সোহাগ রায় স্বা মী স্ত্রী পুত্র পেয়ে আনন্দিত অন্তর। মাতৃকোলে শিশু বেরে উঠে নিরন্তর।। দীনবন্ধু হরি নামে সদা মজে থাকে। অভাবে অনাটনে সদায় ঘিরে রাখে।। তবুও শ্রীহরির প্রতি ভক্তি অটুট। পার্থিব ধন কভু চায়না এতটুক।। প্রেম ধন ভিক্ষা মাগে এতটুকু কাম। দিবানিশি গোঁসাই করে হরির নাম।। দীনবন্ধু কৃত্তিবাসে অতি ভালবাসে। সন্ধ্যাকালে গান গায় পুত্র রেখে পাশে।। কভু যায় ভ্রমনেতে মন উচাটন। ত্বরা করে আসে ফিরে স্নেহের কারন।। মা বাবার স্নেহে পুত্র বাড়ে দিন দিন। অতি সত্তর বাজিল বিরহের বিন।। যেই কালে আড়াই বর্ষ কৃত্তিবাসের। ছুটি হইল দীনবন্ধুর জীবনের।। কিরুপে হইল মরন প্রকাশি তাই। ইহা লয়ে দ্বন্দ করে ভণ্ডরা সবাই।। একাত্তরে পূর্ববঙ্গ স্বাধীন হইল। পাক হানাদার বহু বাঙ্গালী মারিল।। ইয়া ইয়া বাঙ্গালীরে করে অনাচার। অধিকার পাবে না করিলেন প্রচার।। সংখা গরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তান আমরা। তবুও স্বাধীনতা নাই জুলুম ছাড়া।। বাঙ্গালীর নেতা ছিল শেখ মুজিবর। ডেকে কয় কর সবে এর প্রতিকার।। যার যাহা আছে তাহা নিয়ে যুদ্ধ কর। পাক সেনা হানা দিল বাংলার উপর।। পঁচিশে মার্চ রাতে সবে ঘুমের ঘরে। হে...