শ্রীমৎ কৃত্তিবাস গোঁসাইর বাল্য জীবন
**শ্রীমৎ কৃত্তিবাস গোঁসাইর বাল্য জীবন **
রচনায়ঃ সোহাগ রায়
স্বামী স্ত্রী পুত্র পেয়ে আনন্দিত অন্তর।
মাতৃকোলে শিশু বেরে উঠে নিরন্তর।।
দীনবন্ধু হরি নামে সদা মজে থাকে।
অভাবে অনাটনে সদায় ঘিরে রাখে।।
তবুও শ্রীহরির প্রতি ভক্তি অটুট।
পার্থিব ধন কভু চায়না এতটুক।।
প্রেম ধন ভিক্ষা মাগে এতটুকু কাম।
দিবানিশি গোঁসাই করে হরির নাম।।
দীনবন্ধু কৃত্তিবাসে অতি ভালবাসে।
সন্ধ্যাকালে গান গায় পুত্র রেখে পাশে।।
কভু যায় ভ্রমনেতে মন উচাটন।
ত্বরা করে আসে ফিরে স্নেহের কারন।।
মা বাবার স্নেহে পুত্র বাড়ে দিন দিন।
অতি সত্তর বাজিল বিরহের বিন।।
যেই কালে আড়াই বর্ষ কৃত্তিবাসের।
ছুটি হইল দীনবন্ধুর জীবনের।।
কিরুপে হইল মরন প্রকাশি তাই।
ইহা লয়ে দ্বন্দ করে ভণ্ডরা সবাই।।
একাত্তরে পূর্ববঙ্গ স্বাধীন হইল।
পাক হানাদার বহু বাঙ্গালী মারিল।।
ইয়া ইয়া বাঙ্গালীরে করে অনাচার।
অধিকার পাবে না করিলেন প্রচার।।
সংখা গরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তান আমরা।
তবুও স্বাধীনতা নাই জুলুম ছাড়া।।
বাঙ্গালীর নেতা ছিল শেখ মুজিবর।
ডেকে কয় কর সবে এর প্রতিকার।।
যার যাহা আছে তাহা নিয়ে যুদ্ধ কর।
পাক সেনা হানা দিল বাংলার উপর।।
পঁচিশে মার্চ রাতে সবে ঘুমের ঘরে।
হেন কালে পাক পশু গুলি বোমা ছেড়ে।।
লক্ষ লক্ষ নরনারি যুদ্ধে মারা যায়।
নয় মাস এক ভাবে মুক্তিযুদ্ধ হয়।।
ত্রিশ লক্ষ মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়াছে।
দীনবন্ধু গোঁসাইও সেই দলে আছে।।
পাষণ্ডীরা বলে যদি হরি ভক্ত হয়।
তার কি এ জগতে গুলিতে প্রান যায়।।
সাধক যে জন সাধন বলে মরিবে।
অসাধুর দশা ভবে এরুপ হইবে।।
কিবা তত্ত্ব আছে মূলে শুনো বলি এবে।
হরি গোঁসাই দীনার গুরু জানে সবে।।
দীনবন্ধু বাদা বনে করিল ভ্রমন।
বারবর্ষ পরে এসে দিল দরশন।।
একদিন হরিগোঁসাই দীনারে কয়।
মনে এক কথা যাগে বলিব তোমায়।।
বারবর্ষ বাদা বনে করিলে ভ্রমন।
বাঘে শিয়ালে তোমায় না করে ভক্ষন।।
কত দিন অনাহারে দিন কাটাইলি।
কোন কিছুতেই নাহি জীবন ত্যাজিলি।।
সেই জন্যে মম মনে জাগে এক কথা।
বনের বাঘেতে তোরে ছিরেনায় মাথা।।
মানুষ বাঘেতে করিবে সংহার।
দীনা বলে গুরু বাক্য সবার উপর।।
গুরু বাক্য পালিবারে দীনবন্ধু যিনি।
পাক পশুদের হাতে প্রান দিলেন তিনি।।
যখনেতে পাকসেনা গুলি করেছিল।
হরি হরি বলে দীনা লাফাতে লাগিল।।
তিন গুলি মারে তারা গায়ে গিয়ে পরে।
দেহেতে নাহি ঢুকিল হরি নাম জোরে।।
উপায় না পেয়ে সেনা রাগান্বিত হল।
রাইফেলের মাথায় ব্লেট এক ছিল।।
ব্লেট দিয়ে তল পেতে এক পোঁচ দিল।
সঙ্গে সঙ্গে নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসিল।।
সারা শব্দ নাহি করে দেহ বেদনায়।
মুখে শুধু হরি হরি জপিছে সদায়।।
পুত্র কন্যা লয়ে দেবী দেবসোনা যিনি।
স্বামী কাছে ত্বরা করে আসিলেন তিনি।।
ঘরের মেঝেতে নিয়ে করাল শয়ন।
কিছু কথা বলে দীনা করিল গমন।।
হায়রে নিঠুর বিধি লীলা বোঝা ভার।
একদিন চলে যেতে হইবে সবার।।
পিত্রি হারা কৃত্তিবাস বারিয়া উঠেছে।
শিশু বয়সে বড় চঞ্চল হইয়াছে।।
প্রতিবেশী যারা ছিল জ্ঞাতি বন্ধু ভাই।
অতি ভালবাসে কৃত্তিবাসেরে সবাই।।
হুড়াহুড়ি ছোটাছুটি শান্ত মোটে নাই।
দেবসোনা দেবীর চিন্তার শেষ নাই।।
পড়ালেখায় অতি ভাল পারে অল্পেতে।
একবার দেখিলেই পারে বলে দিতে।।
প্রতিবেশী ছেলেদের সাথে স্কুলে যায়।
ধূলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।।
বাস করে তেতুলিয়া নদির পারেতে।
মাঝে মাঝে নামে গিয়া নদির জলেতে।।
এদিকেতে অভাবেতে ধরেছে ঘিরিয়া।
চিন্তায় বাচেনা দেবী পুত্র কন্যা নিয়া।।
কেমনে জুটিবে আহার ভাবে সদয়।
শত চেষ্টা করে কিছু নাহয় উপায়।।
সেই জন্য ঠাকুরানী পুত্র কন্যা নিয়া।
লোহালিয়ায় গেলেন ধূলিয়া ত্যাজিয়া।।
কৃত্তিবাস লোহালিয়া করে বসবাস।
কার পৌষ মাস কার হল সর্বনাশ।।
লোহালিয়াবাসি সবে পেল মহাধন।
ধূলিয়াবাসি হারাল বিধির লিখন।।
দেবসোনা দেবীর এক দিদিমা ছিল।
থাকার বাড়ি তিনি নিজেই করে দিল।।
সুখে শান্তিতে সবাই বসবাস করে।
ঠাকুরানী মাঝে মাঝে শিষ্য বাড়ি ঘোরে।
দুঃখের ক্লান্তি সমূলে হইল মোচন।
কৃত্তিবাস স্কুলে সদা করিছে গমন।।
মায়ের সাথে কখনও ঘুরিয়া বেড়ায়।
বারনিতে কাঁঠালিয়া শিশু কালে যায়।।
গুরুভাই যারা ছিল সবে ভালবাসে।
হরিনাম হলে পরে বসে থাকে পাশে।।
এমনি করিয়া দিন কাটিয়া চলিল।
কৃত্তিবাস প্রাথমিক পর্যায় পেরুল।।
ছয় ক্লাসে ভর্তি হইয়া স্কুলেতে যায়।
সকলের মাঝে প্রথম আসন পায়।।
সকলেই কৃত্তিবাসে খুব ভালবাসে।
কৃত্তিবাস সদায় প্রথম বেঞ্চে বসে ।।
একদা ইংরেজি স্যার করে অপমান।
স্যার বলে কৃত্তিবাস তুমিও ধীমান।।
এই রচনা তুমি পড়িয়া আসিবে।
আগামীকাল পূর্ণ রচনাই বলিবে।।
এই শুনে একরাত্রে রচনা পড়িল।
পূর্ণ রচনা সেই স্যারের শুনাল।।
শুনিয়া স্যার তখন বিস্মিত হইল।
এক রাতে রচনাটা কেমনে পরিল।।
কৃত্তিবাস বাল্য থেকে খুব জেদি ছিল।
একদিন স্কুলে গিয়ে শুনিতে পাইল।।
মুসলিম দেশে মোরা সবে করি বাস।
হিন্দুরা করতে নারি ইচ্ছার প্রকাশ।।
এই শুনে কৃত্তিবাস ডাক দিয়া কয়।
কিবা হয়েছে ভাই তাই বল আমায়।।
বলে ভাই স্কুলে দিব সরস্বতী পূজা।
এই কথা প্রকাশিলে পেতে হবে সাজা।।
কৃত্তিবাস ডেকে কয় চিন্তা কর নাশ।
অবশ্যই হইবে পূজা রেখ বিশ্বাস।।
এই আমার প্রতিজ্ঞা সবারে জানাই।
শাস্তি পেলে তাতে মোর কোন ভয় নাই।।
বলিয়া শিক্ষক কক্ষে করিল গমন।
বিনয়ের সাথে তিনি করে আবেদন।।
সরস্বতী বিদ্যা দানি নাশে অন্ধকার।
বিদ্যা অর্জনের ইচ্ছা রয়েছে সবার।।
তাই মোরা সবে মিলে পূজা দিতে চাই।
স্যারেরা কহিল তাতে কোন ক্ষতি নাই।।
তবে এক কথা আছে তোমারে জানাই।
এর জন্য কমিটির কোন বাজেট নাই।।
এরপরে চাঁদা তুলে সবে পূজা করে।
সেই প্রথম পূজা বাউফল ভিতরে।।
এমনি নেতৃত্ব দিয়ে বহু কাজ করে।
জায়গা করে নিয়েছে সবার অন্তরে।।
হেন মতে কেটে যায় সকলের দিন।
রূপ কান্তি দরশনে অতিব নবিন।।
কৃত্তিবাস গোঁসাইর চরনের তলে।
হরিবলে সোহাগের মন যেন গলে।।
মাতৃকোলে শিশু বেরে উঠে নিরন্তর।।
দীনবন্ধু হরি নামে সদা মজে থাকে।
অভাবে অনাটনে সদায় ঘিরে রাখে।।
তবুও শ্রীহরির প্রতি ভক্তি অটুট।
পার্থিব ধন কভু চায়না এতটুক।।
প্রেম ধন ভিক্ষা মাগে এতটুকু কাম।
দিবানিশি গোঁসাই করে হরির নাম।।
দীনবন্ধু কৃত্তিবাসে অতি ভালবাসে।
সন্ধ্যাকালে গান গায় পুত্র রেখে পাশে।।
কভু যায় ভ্রমনেতে মন উচাটন।
ত্বরা করে আসে ফিরে স্নেহের কারন।।
মা বাবার স্নেহে পুত্র বাড়ে দিন দিন।
অতি সত্তর বাজিল বিরহের বিন।।
যেই কালে আড়াই বর্ষ কৃত্তিবাসের।
ছুটি হইল দীনবন্ধুর জীবনের।।
কিরুপে হইল মরন প্রকাশি তাই।
ইহা লয়ে দ্বন্দ করে ভণ্ডরা সবাই।।
একাত্তরে পূর্ববঙ্গ স্বাধীন হইল।
পাক হানাদার বহু বাঙ্গালী মারিল।।
ইয়া ইয়া বাঙ্গালীরে করে অনাচার।
অধিকার পাবে না করিলেন প্রচার।।
সংখা গরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তান আমরা।
তবুও স্বাধীনতা নাই জুলুম ছাড়া।।
বাঙ্গালীর নেতা ছিল শেখ মুজিবর।
ডেকে কয় কর সবে এর প্রতিকার।।
যার যাহা আছে তাহা নিয়ে যুদ্ধ কর।
পাক সেনা হানা দিল বাংলার উপর।।
পঁচিশে মার্চ রাতে সবে ঘুমের ঘরে।
হেন কালে পাক পশু গুলি বোমা ছেড়ে।।
লক্ষ লক্ষ নরনারি যুদ্ধে মারা যায়।
নয় মাস এক ভাবে মুক্তিযুদ্ধ হয়।।
ত্রিশ লক্ষ মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়াছে।
দীনবন্ধু গোঁসাইও সেই দলে আছে।।
পাষণ্ডীরা বলে যদি হরি ভক্ত হয়।
তার কি এ জগতে গুলিতে প্রান যায়।।
সাধক যে জন সাধন বলে মরিবে।
অসাধুর দশা ভবে এরুপ হইবে।।
কিবা তত্ত্ব আছে মূলে শুনো বলি এবে।
হরি গোঁসাই দীনার গুরু জানে সবে।।
দীনবন্ধু বাদা বনে করিল ভ্রমন।
বারবর্ষ পরে এসে দিল দরশন।।
একদিন হরিগোঁসাই দীনারে কয়।
মনে এক কথা যাগে বলিব তোমায়।।
বারবর্ষ বাদা বনে করিলে ভ্রমন।
বাঘে শিয়ালে তোমায় না করে ভক্ষন।।
কত দিন অনাহারে দিন কাটাইলি।
কোন কিছুতেই নাহি জীবন ত্যাজিলি।।
সেই জন্যে মম মনে জাগে এক কথা।
বনের বাঘেতে তোরে ছিরেনায় মাথা।।
মানুষ বাঘেতে করিবে সংহার।
দীনা বলে গুরু বাক্য সবার উপর।।
গুরু বাক্য পালিবারে দীনবন্ধু যিনি।
পাক পশুদের হাতে প্রান দিলেন তিনি।।
যখনেতে পাকসেনা গুলি করেছিল।
হরি হরি বলে দীনা লাফাতে লাগিল।।
তিন গুলি মারে তারা গায়ে গিয়ে পরে।
দেহেতে নাহি ঢুকিল হরি নাম জোরে।।
উপায় না পেয়ে সেনা রাগান্বিত হল।
রাইফেলের মাথায় ব্লেট এক ছিল।।
ব্লেট দিয়ে তল পেতে এক পোঁচ দিল।
সঙ্গে সঙ্গে নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে আসিল।।
সারা শব্দ নাহি করে দেহ বেদনায়।
মুখে শুধু হরি হরি জপিছে সদায়।।
পুত্র কন্যা লয়ে দেবী দেবসোনা যিনি।
স্বামী কাছে ত্বরা করে আসিলেন তিনি।।
ঘরের মেঝেতে নিয়ে করাল শয়ন।
কিছু কথা বলে দীনা করিল গমন।।
হায়রে নিঠুর বিধি লীলা বোঝা ভার।
একদিন চলে যেতে হইবে সবার।।
পিত্রি হারা কৃত্তিবাস বারিয়া উঠেছে।
শিশু বয়সে বড় চঞ্চল হইয়াছে।।
প্রতিবেশী যারা ছিল জ্ঞাতি বন্ধু ভাই।
অতি ভালবাসে কৃত্তিবাসেরে সবাই।।
হুড়াহুড়ি ছোটাছুটি শান্ত মোটে নাই।
দেবসোনা দেবীর চিন্তার শেষ নাই।।
পড়ালেখায় অতি ভাল পারে অল্পেতে।
একবার দেখিলেই পারে বলে দিতে।।
প্রতিবেশী ছেলেদের সাথে স্কুলে যায়।
ধূলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।।
বাস করে তেতুলিয়া নদির পারেতে।
মাঝে মাঝে নামে গিয়া নদির জলেতে।।
এদিকেতে অভাবেতে ধরেছে ঘিরিয়া।
চিন্তায় বাচেনা দেবী পুত্র কন্যা নিয়া।।
কেমনে জুটিবে আহার ভাবে সদয়।
শত চেষ্টা করে কিছু নাহয় উপায়।।
সেই জন্য ঠাকুরানী পুত্র কন্যা নিয়া।
লোহালিয়ায় গেলেন ধূলিয়া ত্যাজিয়া।।
কৃত্তিবাস লোহালিয়া করে বসবাস।
কার পৌষ মাস কার হল সর্বনাশ।।
লোহালিয়াবাসি সবে পেল মহাধন।
ধূলিয়াবাসি হারাল বিধির লিখন।।
দেবসোনা দেবীর এক দিদিমা ছিল।
থাকার বাড়ি তিনি নিজেই করে দিল।।
সুখে শান্তিতে সবাই বসবাস করে।
ঠাকুরানী মাঝে মাঝে শিষ্য বাড়ি ঘোরে।
দুঃখের ক্লান্তি সমূলে হইল মোচন।
কৃত্তিবাস স্কুলে সদা করিছে গমন।।
মায়ের সাথে কখনও ঘুরিয়া বেড়ায়।
বারনিতে কাঁঠালিয়া শিশু কালে যায়।।
গুরুভাই যারা ছিল সবে ভালবাসে।
হরিনাম হলে পরে বসে থাকে পাশে।।
এমনি করিয়া দিন কাটিয়া চলিল।
কৃত্তিবাস প্রাথমিক পর্যায় পেরুল।।
ছয় ক্লাসে ভর্তি হইয়া স্কুলেতে যায়।
সকলের মাঝে প্রথম আসন পায়।।
সকলেই কৃত্তিবাসে খুব ভালবাসে।
কৃত্তিবাস সদায় প্রথম বেঞ্চে বসে ।।
একদা ইংরেজি স্যার করে অপমান।
স্যার বলে কৃত্তিবাস তুমিও ধীমান।।
এই রচনা তুমি পড়িয়া আসিবে।
আগামীকাল পূর্ণ রচনাই বলিবে।।
এই শুনে একরাত্রে রচনা পড়িল।
পূর্ণ রচনা সেই স্যারের শুনাল।।
শুনিয়া স্যার তখন বিস্মিত হইল।
এক রাতে রচনাটা কেমনে পরিল।।
কৃত্তিবাস বাল্য থেকে খুব জেদি ছিল।
একদিন স্কুলে গিয়ে শুনিতে পাইল।।
মুসলিম দেশে মোরা সবে করি বাস।
হিন্দুরা করতে নারি ইচ্ছার প্রকাশ।।
এই শুনে কৃত্তিবাস ডাক দিয়া কয়।
কিবা হয়েছে ভাই তাই বল আমায়।।
বলে ভাই স্কুলে দিব সরস্বতী পূজা।
এই কথা প্রকাশিলে পেতে হবে সাজা।।
কৃত্তিবাস ডেকে কয় চিন্তা কর নাশ।
অবশ্যই হইবে পূজা রেখ বিশ্বাস।।
এই আমার প্রতিজ্ঞা সবারে জানাই।
শাস্তি পেলে তাতে মোর কোন ভয় নাই।।
বলিয়া শিক্ষক কক্ষে করিল গমন।
বিনয়ের সাথে তিনি করে আবেদন।।
সরস্বতী বিদ্যা দানি নাশে অন্ধকার।
বিদ্যা অর্জনের ইচ্ছা রয়েছে সবার।।
তাই মোরা সবে মিলে পূজা দিতে চাই।
স্যারেরা কহিল তাতে কোন ক্ষতি নাই।।
তবে এক কথা আছে তোমারে জানাই।
এর জন্য কমিটির কোন বাজেট নাই।।
এরপরে চাঁদা তুলে সবে পূজা করে।
সেই প্রথম পূজা বাউফল ভিতরে।।
এমনি নেতৃত্ব দিয়ে বহু কাজ করে।
জায়গা করে নিয়েছে সবার অন্তরে।।
হেন মতে কেটে যায় সকলের দিন।
রূপ কান্তি দরশনে অতিব নবিন।।
কৃত্তিবাস গোঁসাইর চরনের তলে।
হরিবলে সোহাগের মন যেন গলে।।

Comments
Post a Comment